
ক্রিকেটের নামে আপনারা যে জাতীয়তাবাদকে প্রমোট করছেন, তার মধ্যে নিশ্চয়ই সমস্যা আছে। সমস্যা যদি নাই থাকত, তাহলে নেহাত একটা ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে এসে বাংলাদেশের নাগরিকরা হাত-মুখ-বুকে রাজনৈতিকভাবে বৈরী সম্পর্কের দুটি দেশের জাতীয় পতাকার ট্যাটু আর্ট করতে পারত না!
ভারতীয় এক বাঙালি সাংবাদিক তো বলেই ফেললেন, 'পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারত জিতলেই তো বরং বাংলাদেশের ফাইনালে যেতে সুবিধা। তবুও এত পাকিস্তানি সমর্থক মাঠে! এরা খেলার সমীকরণ-টমীকরণ বোঝে না নাকি?'
বললাম, তা ভারতকেই কেন সমর্থন করতে হবে?
সুযোগ পেয়ে বুঝি তার পাল্টা প্রশ্ন : তা পাকিস্তানকেই কেন সমর্থন করতে হবে?
আর পাল্টা উত্তর দিতে পারলাম না! লজ্জা পেলে, লজ্জা থাকলে কথা চেপে যাওয়াই উত্তম!
বাংলাদেশের বিখ্যাত সমাজতাত্ত্বিক আহমেদ ছফার পর্যবেক্ষণটা তাই দারুণ বলতে হবে, ‘শুয়োরের বাচ্চার দাঁত উঠলে আগে বাপের পাছায় কামড় মেরে শক্তি পরীক্ষা করে!’







